Saturday, January 7, 2012



Twitter Ordered To Hand Over WikiLeaks Supporters’ Account Information

Twitter has to provide the U.S. Department of Justice with all account information for three users who allegedly support WikiLeaks, a federal judge ordered on Wednesday. U.S. District Judge Liam O’Grady denied a motion to suspend previous orders that would allow the DOJ access to the Twitter account information of three people who are suspected of having ties to WikiLeaks. The account information for Jacob Appelbaum, a computer security researcher, Birgitta Jonsdottir, a member of Iceland’s Parliament and Dutch activist Rop Gonggrijp will be used in the investigation into WikiLeaks and its leader, Julian Assange. “We’re disappointed with the decision,” Aden Fine, an attorney with the American Civil Liberties Union who represents Jonsdottir, told Mashable. “Before…constitutional rights are infringed, individuals need to have an opportunity to go to court to protect their rights.” The information the Department of Justice requested is extensive as Salon reported: “It includes all mailing addresses and billing information known for the user, all connection records and session times, all IP addresses used to access Twitter, all known email accounts, as well as the ‘means and source of payment,’ including banking records and credit cards.” The DOJ wants all the above information beginning with Nov. 1, 2009 to the present date, according to the report. In December 2010, a magistrate judge granted the Department of Justice permission to seek the three account holders’ Twitter information under a secret order. Twitter’s “Guidelines for Law Enforcement” says it will notify users of subpoenas for information if law enforcement does not submit a statute or court order to keep the information request secret. The request for Twitter account information was kept secret until early 2011, when the Department of Justice allowed its request to go public. The ACLU took the case before a magistrate judge who ruled in favor of the Department of Justice. The case was then presented to an appeals court, presided by Judge O’Grady who upheld the ruling. This most recent decision allows investigators into WikiLeaks to move forward with their request for Twitter account information. How do you feel about governments requesting — and getting access — to information of private citizens? Tell us in the comments. Photo courtesy of iStockphoto, omergenc XXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXXX

Wednesday, January 4, 2012

Govt wants to foil Ctg road march Alleges BNP!!Opposition Party of Bangladesh

The main opposition BNP has accused the government of conspiring to foil the party's Chittagong road march scheduled for January 8 and 9. "The government is already implementing the conspiracy to thwart the road march. Many arches set up in Chittagong ahead of the programme have been torn up, burnt and pulled down as part of the conspiracy," BNP acting secretary general Mirza Fakhrul Islam Alamgir said yesterday. He was briefing reporters after a meeting with the leaders the party's front organisations at its Naya Paltan office in the capital. The meeting discussed the preparation of the road march and also mapped out programmes to mark the 76th birth anniversary of party founder Ziaur Rahman on January 19. BNP Chairperson Khaleda Zia will start the road march from the capital at 10:00am on Sunday. She will hold street rallies at Chandina and Comilla and a public rally in Feni on the day. The march will end through a public rally on Polo Ground in Chittagong the next day, Fakhrul said. He sought cooperation from the government to make the march peaceful and said, "It'll be the largest ever road march." "The economy is in a deep crisis. The law and order has worsened and the prices of daily commodities are soaring. The government has failed in every sector," he said, adding that there was no coordination between the government agencies. Programmes on Zia's birth anniversary will include hoisting of party flag at all offices of the party, placing wreaths at his grave, and holding blood donation programmes and discussions.

ছাত্রলীগের৬৪তমপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকীপালন/ 64TH ANNIVERSARY OF CHATTRA LEAGUE IN BANGLADESH

সংগঠনের ঐতিহ্য ও আদর্শ সংরক্ষণ এবং দেশ গড়ার কাজে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে গতকাল বুধবার সারাদেশে ছাত্রলীগের ৬৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। এবারের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় নেতারা যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পন্ন করতে সরকারকে সবধরনের সহায়তা দেয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তারা দেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নৈরাজ্য সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করার ঘোষণা দেন। জন্মদিনের কেক কাটা, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন, মিছিল, সমাবেশ, শোভাযাত্রাসহ নানা আয়োজনে রাজধানীতে দিনটি উদযাপন করেছে সংগঠনের সর্বস্তরের নেতা-কর্মীরা। প্রতি বছরের মত এ বছরও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর মূল আয়োজন ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠান উদ্বোধন করেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও যোগাযোগ মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের এমপি। এ সময় তিনি বলেন, দেশে গণতন্ত্রের ভিত এখনও শক্তিশালীভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়নি। দলগুলোর মাঝে কাঙ্খিত সৌহার্দ্য গড়ে উঠেনি। নির্বাচনের ফলাফল প্রতিদ্বন্দ্বীরা হাসিমুখে মেনে নিতে পারলেই গণতন্ত্রের সাফল্য আসবে। এজন্য আমাদের আরো পথ পাড়ি দিতে হবে। ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের চারদিকে আজ পরিবর্তনের ঢেউ লেগেছে। জীবনে কোনো কিছুই অসম্ভব নয়। বড় ধরনের পরিবর্তনের জন্য আগে নিজেকে পরিবর্তন করতে হয়। ভালো কিছু করতে হলে ভালো পরিবর্তন দরকার। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের ভালো কিছু করার জন্য নিজেদের গড়ে তুলতে হবে, সংশোধিত হতে হবে। আগে মানুষ ছাত্রনেতাদের ভালোবাসতো। আর বর্তমানে ছাত্রনেতাদের দেখলে সম্মান করে না, ভয় করে। এই অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে হবে। আওয়ামী লীগের এই নেতা আরো বলেন, দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে নিয়মিত ছাত্রসংসদ নির্বাচন না হওয়ায় যোগ্য নেতা তৈরি হচ্ছে না। ২২ ধরে বছর ডাকসু নির্বাচন হচ্ছে না। ডাকসু নির্বাচন হলে এই ২২ বছরে ৪৪ জন ভিপি ও জিএস তৈরি হতো। ছাত্র রাজনীতি আজ অসুস্থ হয়ে গেছে। এ অসুস্থতা দূর করতে ডাকসুসহ দেশের সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রসংসদ নির্বাচন করতে হবে। ছাত্রলীগের সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমেদ হোসেন, মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন এমপি, আব্দুল মান্নান এমপি, আবদুর রহমান এমপি, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, বাহালুল মজনুন চুন্ু্ন, এনামুল হক শামীম, বাহাদুর বেপারী, লিয়াকত শিকদার, নজরুল ইসলাম বাবু এমপি, বলরাম পোদ্দার, শাহাজাদা মহিউদ্দিন, মাহমুদ হাসান রিপন, মাহফুজুল হায়দার চৌধুরী রোটন, সাজ্জাদ সাকিব বাদশা, সংগঠনের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মেহেদী হাসান, সাধারণ সম্পাদক ওমর শরীফসহ সংগঠনের সাবেক ও বর্তমান কেন্দ ীয়, বিশ্ববিদ্যালয়, মহানগরসহ বিভিন্ন শাখার নেতৃবৃন্দ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশ থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান সড়কগুলোসহ শাহবাগ, মত্স্যভবন, কাকরাইল, বিজয়নগর ও পল্টন হয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গিয়ে শেষ হয়। মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা ১ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হলে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু হয়। বর্ণিল সাজে সাজানো হয় কার্জন হল এলাকা। এ সময় ছাত্রলীগের কেন্দ ীয় নির্বাহী সংসদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মহানগর ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের মিলনমেলায় প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে কার্জন হলের সবুজ চত্বর। পরে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টায় ধানমন্ডিস্থ বঙ্গবন্ধু ভবনের সামনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। জাসদ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন জাসদ সমর্থিত ছাত্রলীগ গতকাল সকালে দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের কর্মসূচি শুরু করে। দুপুর ১২টার দিকে ডাকসু ভবন চত্বরে ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রলীগের সভাপতি হোসাইন আহমদ তফসীরের সভাপতিত্বে সমাবেশে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার, শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ, ছাত্র সংসদ নির্বাচন ও সাম্প্রদায়িকতা প্রতিহত করার দাবি জানানো হয়। সমাবেশ শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। উল্লেখ্য, ১৯৪৮ সালের ৪ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয় ছাত্রলীগ। তত্কালীন পূর্ব পাকিস্তানের জনগণের ওপর পশ্চিম পাকিস্তানের শোষণ-নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে এবং বাঙ্গালি জাতির ভাষা, সংস্কৃতি ও আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার অর্জনের লক্ষ্যে জন্ম হয় এ ছাত্র সংগঠনের। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি প্রতিটি আন্দোলনে নেতৃস্থানীয় ভূমিকা পালন করে আসছে। ১৯৫২ সালের মহান ভাষা আন্দোলন, ‘৫৪-এর যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ‘৬২-এর সামরিক শাসনবিরোধী আন্দোলন, ‘৬৯-এর গণঅভ্যূত্থান, ‘৭১-এর মহান মুক্তি সংগ্রাম, ‘৯০-এর স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে এ সংগঠনের রয়েছে সক্রিয় অংশগ্রহণ।

Comilla Election in bangladesh//আজ কুসিক নির্বাচন নাশকতার আশঙ্কা : সব বৈধ অস্ত্র জমা পড়েনি, ধরা পড়েনি সন্ত্রাসীরা, ভারতীয় নাগরিকদের বাদ না দেয়ায় এক মেয়র প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন

নবগঠিত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) প্রথম নির্বাচন আজ। ৫৩ বর্গমাইল এলাকা নিয়ে গঠিত এই সিটি করপোরেশনের প্রথম নগরপিতার আসনে কে বসবেন, তা নির্বাচনে ১ লাখ ৬৯ হাজার ২৭৯ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন। তফসিল ঘোষণার পর থেকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণ অবস্থা বিরাজ করলেও মঙ্গলবার রাত থেকে পরিস্থিতি পাল্টে যাচ্ছে। নির্বাচনকে ঘিরে নাশকতার আশঙ্কা করছেন খোদ নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ প্রশাসন। নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে এর মধ্যেই সন্দেহভাজন ২ জনকে আটক করে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন বলেছেন, নাশকতার আশঙ্কায় অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নির্বাচনে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড হলে নির্বাচন স্থগিত করা হবে। এদিকে নগরীর চিহ্নিত সন্ত্রাসীরা গ্রেফতার না হওয়া ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করতে না পারায় পুলিশ প্রশাসনের ব্যর্থতায় উদ্বিগ্ন ভোটাররা। এমনকি জমা পড়েনি লাইসেন্স করা সব আগ্নেয়াস্ত্র। ভোটারদের আশঙ্কা, এতে যে কোনো মুহূর্তে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে সন্ত্রাসীরা। এদিকে উচ্চ আদালতের নির্দেশনা সত্ত্বেও কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভোটার তালিকা থেকে ভারতীয় নাগরিকদের নাম প্রত্যাহার না করায় নির্বাচন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী সালমান সাঈদ। তবে নির্বাচনের লড়াইয়ে মাঠে রয়েছেন আওয়ামী লীগের তিন নেতা। পাশাপাশি মহাজোটের প্রধান শরিক দল জাতীয় পার্টির প্রার্থীও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন মেয়র প্রার্থীরা। তাদের আশঙ্কা বহিরাগত সন্ত্রাসীরা নির্বাচনকে প্রভাবিত করতে পারে, ভোটারদের ভয়-ভীতি দেখাতে ও নিরাপদে ভোট দিতে বাধা দিতে পারে। সম্মিলিত নাগরিক কমিটির সদস্য ও সাবেক পৌর মেয়র মনিরুল হক সাক্কু গতকাল অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনে সরকারদলীয় নেতাকর্মী ও বহিরাগতরা ভোটকেন্দ্র দখল ও ভোটারদের নিরাপদে ভোট দিতে বাধা দিতে পারে। পুলিশ সদস্যরা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন না করে তার কর্মী-সমর্থকদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হানা দিয়ে ভোটারদের মধ্যে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে। অন্যদিকে কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও আওয়ামী লীগসমর্থিত প্রার্থী আফজল খান অভিযোগ করেছেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা ও তার দফতরের অন্য কর্মকর্তারা নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছেন না। জাতীয় পার্টিসমর্থিত প্রার্থী এয়ার আহমেদ সেলিম অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচনে কালো টাকা ও পেশি শক্তির ব্যবহার হতে পারে। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নূর-উর রহমান তানিমের আশঙ্কা, তার ওপর হামলা হতে পারে। তবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজিত হোসেন গতকাল আমার দেশ-কে বলেন, নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বেষ্টনীতে নির্বাচন হবে। আকস্মিক নাশকতার আশঙ্কা : কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয় গত ২৩ নভেম্বর। এর পর থেকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন কার্যক্রম পরিচালনা করেন নির্বাচন কর্মকর্তারা। ঠিকভাবে প্রচারণাও চালান প্রার্থীরা। তবে নির্বাচনের শেষ পর্যায়ে আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমসহ একডজন কেন্দ্রীয় নেতার বিশাল মহড়া ও বাড়াবাড়িতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন। নির্বাচন স্থগিত করতে কমিশনের আলটিমেটামে গত বুধবার রাতে তারা নির্বাচনী এলাকা ছাড়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে নাশকতার অভিযোগে গ্রেফতার হয় দুই ব্যক্তি। এর পরই সুষ্ঠু নির্বাচন নিয়ে শঙ্কা দেখা দেয়। গতকাল রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেন নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে তাওহীদ হাসান ও ইমরান নামে দুই ব্যক্তিকে আটক করে ছয় মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। তিনি জানান, মঙ্গলবার ভোর রাতে রানীরবাজার সড়কের ধর্মপুর এলাকায় প্রেস লেখা দেখে একটি প্রাইভেট কার থামিয়ে চ্যালেঞ্জ করেন। তারা নিজেদের সাংবাদিক হিসেবে দাবি করেন। কিন্তু কোথায় কাজ করেন—জানতে চাইলে সন্দেহভাজনরা নিজেদের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রেসকর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। তারা কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে না পারায় গাড়িটি তল্লাশি চালিয়ে নাশকতার পরিকল্পনা সংক্রান্ত কাগজপত্র পাওয়া যায়। উদ্ধার করা কাগজপত্রে বিভিন্ন ওয়ার্ডেও সন্ত্রাসীদের তালিকা, কাউন্সিলর প্রার্থীদের তালিকা, বিশিষ্টজনদের তালিকা, তাদের গায়ের রং ও উচ্চতা শনাক্তকারী চিহ্ন, ভোটার তালিকাসহ বিভিন্ন উপকরণ পাওয়া যায়। তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতের কাছে হস্তান্তর করা হলে সিনিয়র বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইদুর রহমান গাজী আটকদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ৬ মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে কারাগারে পাঠিয়ে দেন। তবে তারা কার পক্ষে কাজ করছিলেন, তা জানাতে পারেননি তিনি। এ সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেন বলেন, আমাদের ধারণা, নির্বাচন বানচাল করতে তারা বড় ধরনের পরিকল্পনা করেছিল। তিনি আরও বলেন, এই মুহূর্তে আমরা নির্বাচনে নাশকতার আশঙ্কা করছি। কোনো একটি মহল নির্বাচন বানচালের জন্য বড় ধরনের পরিকল্পনায় জড়িত থাকতে পারে। নাশকতা বিষয়ে বিশেষ নজর দেয়া হচ্ছে; তবে নাশকতামূলক ঘটনা ঘটলে তাত্ক্ষণিকভাবে নির্বাচন স্থগিত করা হবে। এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজিত হোসেন বলেন, আমরাও নাশকতার কিছুটা আশঙ্কা করছি; তবে নির্বাচনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। আজ ভোটগ্রহণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা : নবগঠিত কুমিল্লা সিটি করপোরেশনে আজ ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইসি সূত্র জানায়, এ নির্বাচনে মেয়র পদে ৮ জন, কাউন্সিলর পদে ২১৭ জন ও সংরক্ষিত মহিলা কাউন্সিলর পদে ৬৯ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এদের মধ্যে একজন নগরপিতা, ২৭ জন কাউন্সিলর ও ৯ জন মহিলা কাউন্সিলর নির্বাচিত হবেন। আজ সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত ৬৫ কেন্দ্রের ৪২১টি বুথে বিরতিহীন চলবে ভোটগ্রহণ। নির্বাচন কমিশনের ইতিহাসে এবারই প্রথম সব কেন্দ্রে ইলেকট্রোনিক ভোটিং মেশিন (ইভিএম) ব্যবহার করে ভোটগ্রহণ হবে। কেন্দ্রগুলোর মধ্যে দুই-তৃতীয়াংশের বেশি ভোট কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে গোয়েন্দা রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। ৬৫টি মধ্যে ৪৭টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ। কুমিল্লা সিটি করপোরেশন (কুসিক) নির্বাচনকে অবাধ ও সুষ্ঠু করতে সব কেন্দ্রেই প্রথমবারের মতো ওয়েবক্যাম স্থাপন করা হয়েছে। নির্বাচন চলাকালে কেউ অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করলে ওয়েবক্যামের ফুটেজ দেখে তাত্ক্ষণিকভাবে তাকে শাস্তি দেয়া হবে। নির্বাচনে নিরাপত্তা জোরদার করতে আজ ও আগামীকাল তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। নির্বাচনে ২ হাজার ৩২৪ জন পুলিশ ও আনসার সদস্য এবং প্রায় এক হাজার র্যাব সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তারা গতকাল নগরীর বিভিন্ন পয়েন্টে মহড়া দিয়েছেন। এছাড়া ওয়ার্ডপ্রতি থাকছে নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব পর্যবেক্ষক। প্রতি ওয়ার্ডে গোপন পর্যবেক্ষক রাখার ঘটনাও এই প্রথম। ৫ জানুয়ারির এই নির্বাচন অবাধ ও সুন্দর পরিবেশে অনুষ্ঠানে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়েছে ইসি। প্রতিটি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রে ২৪ জন এবং সাধারণ কেন্দ্রে ২২ জন করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবে। এছাড়া কেন্দ্রের বাইরের পরিস্থিতি দেখভালে প্রতিটি কেন্দ্রে একজন এসআইর নেতৃত্বে ৫ জন করে অ্যাকশন ফোর্স থাকবে। প্রতি তিন কেন্দ্রের জন্য পুলিশের একটি মোবাইল টিম সক্রিয় থাকবে। কেন্দ্রের আশপাশে ৮ জনের একটি র্যাবের টিম টহল দেবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে একজন করে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সংরক্ষিত ৯টি ওয়ার্ডে ৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন। ২৭ ওয়ার্ডে ২৭ জন ইসির নিজস্ব গোপন পর্যবেক্ষক কমিশনকে নির্বাচন সংক্রান্ত যাবতীয় রিপোর্ট দেবে। কোথাও অনিয়ম দেখলে এ গোপন পর্যবেক্ষকরা তাত্ক্ষণিকভাবে তা রিটার্নিং অফিসারকে জানাবেন। কোথাও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে তা বন্ধে র্যাব-পুলিশের ৫০ জন রিজার্ভ ফোর্স রিটার্নিং অফিসারের দফতরে উপস্থিত থাকবেন। থানার ওসিদের কর্মকাণ্ড দেখভালে দু’জন ইসির পর্যবেক্ষক সার্বক্ষণিকভাবে তাদের সঙ্গে থাকবেন। ভোটের দিন বহিরাগতরা যাতে নগরীতে প্রবেশ করতে না পারে সেজন্য প্রবেশপথে চৌকি বসানো হয়েছে। তারা তল্লাশি করে সব যানবাহন ঢুকতে দেয়া হচ্ছে। ভারতীয় নাগরিক বাদ না দেয়ার প্রতিবাদে প্রার্থিতা প্রত্যাহার : কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের ভোটার তালিকায় ভারতীয় নাগরিকদের বাদ না দেয়ার প্রতিবাদে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন স্বতন্ত্র মেয়র প্রার্থী মো. সালমান সাঈদ। গতকাল রাতে তিনি বলেন, দৈনিক আমার দেশ পত্রিকায় গত ১৫ ডিসেম্বর ‘ভারত ও বাংলাদেশে অভিন্ন ভোটার’ শীর্ষক সংবাদে কুমিল্লায় বেশ কয়েকজন ভারতীয় ভোটার থাকার তথ্য প্রকাশিত হয়। নির্বাচনের জন্য সংগ্রহ করা ভোটার তালিকায় সিটি করপোরেশন এলাকায় বিপুল ভারতীয় ভোটার রয়েছে বলে জানতে পারি। এ বিষয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা আবদুল বাতেনকে ব্যবস্থা নেয়ার অনুরোধ করি। কিন্তু কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় গত ২০ ডিসেম্বর হাইকোর্টে ত্রুটিমুক্ত ভোটার তালিকা হালনাগাদ করে পুনঃতফসিল ঘোষণার জন্য রিট দায়ের করি। ওই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি মির্জা হোসাইন হায়দার এবাং বিচারপতি মো. মুজিবুর রহমান মিয়ার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের বেঞ্চ ৭ দিনের মধ্যে ভোটার তালিকা সংশোধনের নির্দেশ দেন। কিন্তু নির্বাচনী কর্মকর্তা এ ব্যাপারে কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়ায় গতকাল বুধবার এ ব্যাপারে হাইকোর্টে আবেদন করলে আদালত ৪ সপ্তাহের রুল জারি করেন। এ অবস্থায় ভোটার তালিকার আমার আপত্তি থাকায় আমি নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম। তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসীরা ধরা পড়েনি, উদ্ধার হয়নি অস্ত্র : কুমিল্লা সিটি করপোরেশন নির্বাচন উপলক্ষে অতীত রেকর্ড যাচাই করে ১৪৮ জনের চিহ্নিত সন্ত্রাসীদের একটি তালিকা করা হয়। এর মধ্যে শুধু কোতোয়ালি থানায় ১২ জন ও সদর দক্ষিণ থানার ২৮ সন্ত্রাসীর তালিকা করা হয়। তালিকার বাইরে রয়েছে আরও অনেক সন্ত্রাসী। এসব সন্ত্রাসীকে গ্রেফতার ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে পুলিশ প্রশাসন। পুলিশের হিসাব অনুযায়ী তফসিল ঘোষণা থেকে গতকাল পর্যন্ত মাত্র ১৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। উদ্ধার হয়নি অবৈধ অস্ত্র। জেলা প্রশাসনের হিসাবে কুমিল্লা শহরে বৈধ আগ্নেয়াস্ত্রের সংখ্যা ২০৫টি। এ পর্যন্ত ১৩১টি বৈধ অস্ত্র জমা পড়েছে। ভোটারদের আশঙ্কা, আটক না হওয়া সন্ত্রাসীরা নির্বাচনের যেকোনো মুহূর্তে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। গর্জে উঠতে পারে বৈধ-অবৈধ সব আগ্নেয়াস্ত্র। যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাজিত হোসেন বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা গড়ে তোলা হয়েছে। এ পর্যন্ত ১৪ সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। অনেক বৈধ অস্ত্র থানায় জমা হয়নি। ওইসব অস্ত্রধারীর বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে। সাক্কুর সংবাদ সম্মেলন : নির্বাচনের সর্বশেষ পরিস্থিতি ও সুষ্ঠু ভোটগ্রহণ নিয়ে নিজের শঙ্কার কথা জানাতে সম্মিলিত নাগরিক কমিটির প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কু গতকাল নানুয়াদীঘির পাড়ের নিজ বাসায় সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী আফজল খান ও দলীয় নেতারা নির্বাচনে বহিরাগতদের নিয়ে কেন্দ্র দখল করতে পারেন। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনে একাধিকবার অভিযোগ দিয়েও কোনো ফল পাননি বলে অভিযোগ করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, আমার নেতাকর্মীদের বাসায় গিয়ে পুলিশ তল্লাশির নামে অযথা হয়রানি করছে। তারা যাতে আমাকে ভোট না দেন বা আমার পক্ষে কাজ না করেন সেজন্য ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। তিনি বলেন, মঙ্গলবার রাতে সালমানপুরে এক ছাত্রকে আটক করার পর আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে। তিনি বলেন, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমসহ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা কুমিল্লায় মোটরসাইকেল সমাবেশ করেছেন, লোটাস কামাল পুলিশ প্রটোকল নিয়েছেন, জাতীয় সংসদের হুইপ মুজিবুর রহমান মোবাইলে ফোন করে আচরণ বিধিমালা লঙ্ঘন করেছেন। অথচ পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে আমার কর্মীদের হয়রানি করছে। তিনি আরও বলেন, কেন্দ্র ও ভোটারদের যাতায়াতের নিরাপত্তার নিশ্চিত করতে হবে। ইভিএম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, অন্তত তিন মাস আগ থেকে প্রচারণা চালালে ভোটাররা আরও বেশি জানতে পারতেন। এ পদ্ধতিতে কোনো কারচুপি হলে জনগণ তার জবাব দেবেন। নির্বাচন কমিশন থেকে পর্যবেক্ষণের জন্য যাদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে, তাদের বেশিরভাগই সরকারদলীয় সমর্থক বলেও দাবি করেন তিনি। সংবাদ সম্মেলনে জেলা বিএনপির সহসভাপতি ফজলুল হক ফজলুল, কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর, আবদুর রউফ চৌধুরী ফারুক, প্রার্থীর ভাই অ্যাডভোকেট কাইয়ুম উল রিংকু, অ্যাডভোকেট আতিকুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। মেয়র প্রার্থীরা যা বললেন : আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মো. আফজল খান গতকাল আমার দেশকে বলেন, যুবদলের সম্মেলনে অস্ত্রের যে ঝংকার শোনা গিয়েছিল, সেসব অস্ত্র উদ্ধার করতে পারেনি পুলিশ। এসব অস্ত্র ব্যবহার করে সন্ত্রাসীরা যাতে নির্বাচন ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে। এ ছাড়া প্রচুর পরিমাণে কালো টাকার ব্যবহার করা হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. আবদুল বাতেনসহ নির্বাচনী কর্মকর্তারা নিরপেক্ষ নন। তাদের কাজকর্ম সন্দেহজনক। জাপা সমর্থিত মেয়র প্রার্থী এয়ার আহমেদ সেলিম বলেন, মেয়র প্রার্থী মনিরুল হক সাক্কুর গতকাল ডাকা সংবাদ সম্মেলনকে নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘন আখ্যায়িত করে বলেন, আওয়ামী সমর্থিত প্রার্থী আফজল খান ও মনিরুল সাক্কু দু’জনই কালো টাকা বিতরণ ও সন্ত্রাসীদের লালন করেন। এতে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তিনি বলেন, এ দুই প্রার্থীর কাছে মানুষ আজ অসহায়। এক প্রার্থী আরেক প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করে কথা বললেও আসলে এটা তাদের অভিনয়। নির্বাচন কমিশনকে আরও জোরালো ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। আওয়ামী লীগ নেতা মেয়র প্রার্থী নূর-উর রহমান তানিম বলেন, ভোটগ্রহণের দিন আজ আমার ওপর হামলা হতে পারে। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী বা তৃতীয় পক্ষ এ হামলা চালাতে পারে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তাদের মধ্যে কয়েকজনের স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন আছে। একই দলের তিন প্রার্থী সম্পর্কে তিনি বলেন, এটি স্থানীয় সরকার নির্বাচন। সাধারণ মানুষ চায় এ নির্বাচনে দল হস্তক্ষেপ না করুক। এতে স্থানীয় গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়। তানিমের সংবাদ সম্মেলন : এদিকে গতকাল নিজ বাসায় এক সংবাদ সম্মেলনে জনরায় ছিনতাইয়ের আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী নূর-উর রহমান তানিম। তিনি বলেন, পুলিশ প্রশাসন সরকারি দলের প্রার্থীর পক্ষে কাজ করছে। ইসির অধীনে প্রশাসন থাকলে কেন সরকারি দলের প্রার্থীর পক্ষে পুলিশ কাজ করছে তা সরকার ও নির্বাচন কমিশনের কাছে জানতে চান তিনি। মেয়র প্রার্থীরা কে কোথায় ভোট দেবেন : আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী অধ্যক্ষ আফজল খান (আনারস) নগরীর নজরুল এভিনিউ এলাকায় মডার্ন প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে, নাগরিক কমিটির মনিরুল হক সাক্কু (হাঁস) উত্তর চর্থা এলাকার হোচ্ছামিয়া হাইস্কুল কেন্দ্রে, জাতীয় পার্টির এয়ার আহমেদ সেলিম (টেলিভিশন) ইসলামপুর এলাকার ইসলামিয়া আদর্শ বিদ্যালয় কেন্দ্রে, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী নূর-উর রহমান মাহমুদ তানিম (চশমা) রানীর দীঘির পাড় ভিক্টোরিয়া কলেজ কেন্দ্রে, আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী আনিসুর রহমান মিঠু (জাহাজ) অশোকতলা এলাকার ইসহাক প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন। এ ছাড়া জেএসডির শিরিন আক্তার (তালা) দক্ষিণ চর্থা প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে, স্বতন্ত্র প্রার্থী চঞ্চল কুমার ঘোষ (ঘোড়া) পদুয়ার বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ও মো. সালমান সাঈদ (দোয়াত কলম) হাউজিং এস্টেট প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন বলে জানিয়েছেন।


By Richard Walker For years, a secret war of assassinations and bombings has been directed from Washington and Tel Aviv at Iran, with no public admission that U.S. Special Forces, the CIA, the National Security Agency and Israeli intelligence have been deeply involved. The reason Barack Obama, like his predecessor, George W. Bush, has been unwilling to take responsibility for America’s role in this dirty war is that he has approved the very terror tactics D.C. so often likes to condemn when they are used by other nations. Israel has also refused to admit its role because it would once again highlight Israel’s flagrant disregard for international law. A few independent media outlets like AMERICAN FREE PRESS could then force Washington to address what is being done in America’s name with the help of Israeli assassins and hired terrorists. AFP


Tuesday, January 3, 2012

SOPA, Internet Censorship Bill, Lauded By Both Parties In Key House Hearing

WASHINGTON -- At a House Judiciary Committee hearing Wednesday, Democrats and Republicans joined together to voice support for legislation that would criminalize much of the activity that occupies the Internet. The bipartisan bill known as the Stop Online Piracy Act would establish major new powers for corporations intent on corralling copyrighted materials -- powers that would lead to big legal bills for start-ups and Silicon Valley giants alike. SOPA's Senate counterpart, the PROTECT IP Act, was already voted out of the Senate Judiciary Committee in September. Both political parties -- flush with campaign contributions from Hollywood studios and trial lawyers -- are eager to pass the legislation. The Senate version, introduced in May, has broad support, but has been held up by Sen. Ron Wyden (D-Ore.). Without Wyden's hold, the legislation looks certain to pass by a landslide. The House version, introduced last month, was written by House Judiciary Chairman Lamar Smith (R-Texas) and co-sponsored by ranking member John Conyers (D-Mich.). "The theft of American intellectual property costs the American economy over $100 billion annually ... and thousands of American jobs," Smith declared at Wednesday's hearing. "I am very pleased that this is a bipartisan bill, and I think that that's very important," Conyers added. But generating all this enthusiasm is legislation that would shift the balance of power over the Internet. Under current practice, copyright owners such as TV networks and Hollywood studios reach out to websites to request that pirated videos be taken down. Under the new regime, they could ask banks, Internet service providers and domain name registrars to stop doing business with websites that they believed were devoted to piracy. They could, for instance, go straight to YouTube's domain registration company and demand that the entire YouTube website be taken down. And if the registrar resisted, the copyright owners would have the legal ability to take the registrar to court.That move might not be very threatening to major players, like YouTube, with expensive legal teams, but life on the Internet could be made very difficult for smaller companies and start-ups. For lawyers who litigate intellectual property issues, the bill is a godsend, guaranteeing a flood of work, no matter which party wins the case. The bill would also alter the relationship between the government and the basic architecture of the Internet, allowing the Department of Justice, acting on behalf of aggrieved copyright holders, to perform domain name system filtering -- essentially, blocking entire websites in the name of preventing piracy. Web experts contend this tinkering could threaten the very functionality of the Internet and make it difficult to implement key cybersecurity measures that have been in the works for years. In May, five web security experts published a 17-page analysis of the legislation's implications for online security, concluding, "The PROTECT IP Act would weaken this important effort to improve Internet security. It would enshrine and institutionalize the very network manipulation that [tech experts] must fight in order to prevent cyberattacks and other malevolent behavior on the global Internet, thereby exposing networks and users to increased security and privacy risks." Since then, the House version of the legislation has grown still more aggressive. The Senate bill proposes to give copyright owners those new powers to sue over foreign websites only. It's the House bill that extends the draconian measures to domestic websites as well. It also sweeps in a separate bill, sponsored in the Senate by Amy Klobuchar (D-Minn.), to make it a felony to stream videos or mp3s of copyrighted films and songs. A host of libertarians, Tea Party members, radical progressives, and mainstream conservatives have spoken out against the bills. But good government advocates cannot win legislative battles against major corporations without their own corporate support. AOL Inc., eBay Inc., Facebook, Yahoo Inc. and Twitter all have opposed the bill. The single largest company attempting to stand in its way is Google -- because its business model depends entirely on an open Internet. At Wednesday's hearing, Google was the only corporation to speak against the legislation on a panel stacked with representatives of Hollywood studios, pharmaceutical giants and intellectual property hawks from the Obama administration. Unfortunately, Google is one of the worst allies to have in Washington today, as it faces an antitrust investigation as well as government scrutiny for directing consumers to unregulated online pharmacies. Google paid a $500 million penalty in August to settle complaints involving illicit online pharmacies from the Department of Justice and the Food and Drug Administration. Members of both parties piled on Wednesday, banging away at Google for the pharmacy scandal -- a public declaration that the company's lobbying might not help to moderate SOPA.

Jatiyo Party Chairman HM Ershad expressed Shock for the death of Hazi Chan Mia of Jatiyp Party

Advisor to Chairman HM Ershad of Jatiyo Party is Sick-Urging for Doa

Monday, January 2, 2012

পুলিশে সংস্কার/Bangladesh Police Service Establishments and reconstruction is Hanging!!!

পুলিশ বাহিনীকে জনগণের সেবক বানানোর সদিচ্ছা নিয়ে প্রণীত প্রস্তাবিত পুলিশ অধ্যাদেশ-২০০৭ আইনটি ফাইলচাপা হয়ে আছে তিন বছর ধরে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সদিচ্ছার অভাবে এর ভবিষ্যৎ এখন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। পুলিশ বাহিনীতে সংস্কার আনার যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বিগত তত্ত্বাবধায়ক আমলে_ কায়েমি স্বার্থবাদী চক্রগুলো তা সম্ভবত ভালো চোখে দেখছে না। বাংলাদেশ প্রতিদিনে প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রস্তাবিত পুলিশ অধ্যাদেশ-২০০৭ আইনে পুলিশকে সেবাদানকারী সংগঠনে পরিণত করার তাগিদ ছিল। এটি বাস্তবায়িত হলে পুলিশের ওপর রাজনৈতিক খবরদারির সুযোগ হ্রাস পেত। রাজনৈতিক চাপে পুলিশ সুপার থেকে শুরু করে আইজিপি পর্যন্ত কাউকে দুই বছরের আগে সরানো যেত না। পুলিশের নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতিতে মন্ত্রী, সংসদ সদস্য বা যে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তির মৌখিক, লিখিত বা টেলিফোনে সুপারিশ ফৌজদারি অপরাধ বলে গণ্য হতো। স্বাধীন ও স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করত পুলিশ। এ বাহিনীর অর্থ ব্যয়ে মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়ারও প্রয়োজন হতো না। বরাদ্দের পর পুলিশ কমিশনের সুপারিশে আইজি এ টাকা খরচ করতে পারতেন। মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা মনে করেন প্রস্তাবিত আইনে পুলিশকে বেশি মাত্রায় ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এ আইন কার্যকর হলে পুলিশের ওপর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। তবে পুলিশ কর্মকর্তাদের ভাষ্য_ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক প্রভাব থাকবে না বলেই সংস্কার প্রস্তাব ফাইলচাপা দেওয়া হয়েছে। পুলিশের সংস্কার এভাবে থেমে যাওয়ার বিষয়টি যে কোনো মূল্যায়নে দুর্ভাগ্যজনক। সভ্য দুনিয়ায় পুলিশ বাহিনী জনগণের সেবক হিসেবে নিজেদের ভাবমূর্তি গড়ে তুলতে পেরেছে তাদের ওপর বাইরের অবাঞ্ছিত হস্তক্ষেপ না থাকার কারণে। আমাদের দেশে পুলিশকে সরকারের লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহারের ভুল নীতির কারণেই দুর্নীতি, অসততা এবং অনিয়ম এ বাহিনীর নিয়ামক শক্তিতে পরিণত হয়েছে। এ যাচ্ছেতাই অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে হলে পুলিশে যথাযথ সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই। দেশে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে সরকারকে এ ব্যাপারে উদার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে আসতে হবে।