Sunday, August 2, 2015

"সি,এন,জি, অটো রিক্সা এবং মোটর রিক্সা মহাসড়কে নিষিদ্ধের পরেও একই অবাধ চলাচল !!!!!!!!!!!"



যা ছিল, ঠিক সেভাবেই চলছে। অবস্থার কোনো পরিবর্তন হয়নি। শুরু হয়নি মহাসড়কে চলাচলকারী নসিমন, করিমন, থ্রি হুইলার আর ইজিবাইক চলাচলের উপর সরকারের জারি করা নিষেধাজ্ঞার প্রেক্ষিতে কোনো অভিযান।

চুয়াডাঙ্গার মহাসড়কগুলোতে ভারী যানবাহনের পাশাপাশি রোববারও অন্যদিনের মতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে অবৈধ ঘোষিত নিষিদ্ধ যানবাহন। সরকারি নিষেধাজ্ঞার ২য় দিনে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নিতে দেখা যায়নি সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের। দূরপাল্লার ইজিবাইকের স্ট্যান্ড যেখানে ছিল সেখানেই রয়েছে। মহাসড়কে প্রশাসনের কাউকে না পাওয়ায় এ ব্যাপারে বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

চুয়াডাঙ্গা পুলিশ সুপার রশীদুল হাসান জানান, সড়ক ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক স্বাক্ষরিত একটি চিঠি হাতে পেয়েছি। তাতে লেখা আছে জাতীয় মহাসড়কে থ্রি-হুইলারসহ সব ধরনের অযান্ত্রিক যানবাহন চলাচলে নিষেধাজ্ঞার কথা। চুয়াডাঙ্গার আশপাশের সড়কগুলো আঞ্চলিক মহাসড়ক। এ কারণে ওই চিঠির প্রেক্ষিতে কোনো ব্যবস্থা নেয়া সম্ভব হচ্ছে না । তবে গত বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি মহামান্য হাইকোর্ট খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার প্রধান সড়কে অবৈধ যান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা জারি করে যে আদেশ দিয়েছিল সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।


"আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় ১৪দল বৈঠক ডেকেছে মঙ্গলবার সকাল ১১টায়"



আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন কেন্দ্রীয় ১৪দল বৈঠক ডেকেছে মঙ্গলবার সকাল ১১টায়। এ বৈঠক আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ধানমন্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

রোববার বিকেলে আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ স্বাক্ষরিত এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য ও কেন্দ্রীয় ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম সংশ্লিষ্ট সবাইকে যথাসময়ে উপস্থিত থাকার জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন।

'আত্মহত্যা করা সেই মুক্তিযোদ্ধার পরিবারের পাশে খালেদা"


সচিবের গলা ধাক্কা খেয়ে’ অপমানিত হয়ে অভিমানে আত্মহত্যা করা মুক্তিযোদ্ধা আইয়ুব খানের পরিবারকে আর্থিকভাবে সাহায্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

রোববার রাতে বিএনপি চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে তার সঙ্গে দেখা করেন আইয়ুব খানের স্ত্রী খাদিজা বেগম। এ সময় খালেদা জিয়া তাকে নগদ অর্থ প্রদান করেন। খাদিজা বেগমের সঙ্গে তার দুই ছেলে ও দুই মেয়েও উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া বিএনপির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, মুক্তিযোদ্ধা দলের সভাপতি ইসতিয়াক আজিজ উলফাত, সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।

আইয়ুব খান চট্টগ্রামের সাতকানিয়া উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ছিলেন। চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা সংসদের সদস্য সচিব ছিলেন তিনি।

গত ৭ জুলাই রাজধানীর সেগুন বাগিচার তোপখানা রোডের কর্ণফুলি ইন্টারন্যাশনাল হোটেলের ২০৪ নম্বর কক্ষ থেকে আইয়ুবের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মৃত্যু আগে আইয়ুব খান ঢাকার জেলা প্রশাসকের বরাবর চার পৃষ্ঠার একটি চিঠি লিখেছিলেন। তাতে তিনি লেখেন, মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রণালয়ের সচিব এম এ হান্নান তাকে বাসা থেকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিয়েছেন। এই অপমান সইতে না পেরে তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

পরদিন বিষয়টি ফলাও করে দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে প্রতিবাদ জানান এমএ হান্নান। তিনি বলেন, তিনি (আইয়ুব খান) আমার পূর্ব পরিচিত নন এবং তার সাথে আমার ব্যক্তিগত পরিচয়ও নেই এবং সে কারণে ব্যক্তিগত আক্রোশ থাকারও প্রশ্ন ওঠে না। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব হিসেবে আমি দায়িত্ব নেয়ার পর ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়ে এ মন্ত্রণালয় কঠোর অবস্থান নিয়েছে। এ নিয়ে কারও কারও মনে ক্ষোভ থাকতে পারে। কিন্তু মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট নয় এমন বিষয় নিয়ে কেউ যদি সংক্ষুব্ধ হয়ে থাকেন সেটি অত্যন্ত দুঃখজনক। কাজেই এ ধরনের সংবাদ প্রকাশের পূর্বে বিষয়টির সত্যতা যাচাই করে নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি এবং এ নিয়ে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানাই।

৯ জুলাই এ ঘটনায় ৬ সদস্যের একটি কমিটিও গঠন করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়।