http://themonthlymuktidooth.blogspot.com

Monday, June 8, 2020

কারখানায় শ্রমিক ছাটাই এবং বিজিএমইএর সভাপতির কান্ড জ্ঞানহীন বক্তব্যের প্রতিবাদে এক মানববন্ধন


আজ ০৮ জুন ২০২০ রোজ সোমবার সকাল ১০.৩০ মিনিটে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে টেক্সটাইল গার্মেন্টস ওয়ার্কার্স ফেডারেশন বিভিন্ন গার্মেন্টেস কারখানায় শ্রমিক ছাটাই এবং বিজিএমইএর সভাপতির কান্ড জ্ঞানহীন বক্তব্যের প্রতিবাদে এক মানববন্ধন কর্মসূচী আয়োজন করে। মানববন্ধন কর্মসূচীতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনের সভাপতি বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা জনাব আবুল হোসাইন। বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক তপন সাহা কেন্দ্রীয় নেতা মিজানুর রহমান, নাজমা বেগম, জাহিদুল ইসলাম বাদশা, পারভীন, শাহআলম হোসাইন সহ নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন সম্প্রতি সময়ে করোনাকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কারখানায় বিভিন্ন অজুহাতে শ্রমিক ছাটাই করা হচ্ছে। অথচ সরকারি নির্দেশ ছিল করোনা মহামারীর সময়ে কোন শ্রমিক ছাটাই করা যাবে না। তারা সরকারি নির্দেশ অমান্য কারীদের শাস্তি দাবী করেন। তারা অনতিবিলম্বে শ্রমিক ছাটাই বন্ধ করা এবং বকেয়া বেতন ভাতা পরিশোধের দাবী জানান। তারা আসন্য বাজেটে গার্মেন্টস শ্রমিকদের জন্য বরাদ্দ রাখা এবং রেশনিং ব্যবস্থা চালু করার দাবী জানান। শ্রমিক ছাটাই নির্যাতন বন্ধ না হলে গণতান্ত্রিক ভাবে আন্দোলনের হুশিয়ারি ব্যক্ত করেন। তারা বলেন ছাটাই নির্যাতন অব্যাহত থাকলে শিল্প খাত অশান্ত হয়ে উঠতে পারে তার দায় দায়িত্ব মালিক এবং সরকারকে নিতে হবে।

Sunday, June 7, 2020

১৯৬৬ সালের ৭ জুন বাঙালি জাতির ইতিহাসে মোড় পরিবর্তন করে দিয়েছিল-জাসদ


১৯৬৬ সালের ৭ জুন বাঙালি জাতির ইতিহাসে মোড় পরিবর্তন করে দিয়েছিল-জাসদ

ঐতিহাসিক ৭ জুন ৬ দফা দিবস উপলক্ষে এক বিবৃতিতে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের সভাপতি হাসানুল হক ইনু এমপি  ও সাধারণ সম্পাদক শিরীন আখতার এমপি বলেছেন, বঙ্গবন্ধুর  ঐতিহাসিক ৬ দফার সমর্থনে ১৯৬৬ সালের হরতাল এবং এই হরতালে ছাত্র-যুবকদের পাশাপাশি তেজগাঁ-ফতুল্লা-সিদ্ধিরগঞ্জ-আদমজী-নারায়ণগঞ্জ-টঙ্গীর শ্রমিকদের মারমুখী অংশগ্রহণ এবং তেজগার শ্রমিক মনু মিয়া, আবুল কালাম আজাদ, নারায়ণগঞ্জের ৬ জন শ্রমিকসহ ১১জন শ্রমিকের রাজপথে লড়াই করে বীর আত্মবলিদান পাকিস্তানি প্রায় ঔপনিবেশিক শাসনের বিরুদ্ধে বাঙালি জাতীয়তাবাদী সংগ্রামকে নতুন উচ্চতা ও গভীরতা দান করে। জাসদ নেতৃদ্বয় বলেন, ৭ জুনে  জাতীয়তাবাদী সংগ্রামে শ্রমিক শ্রেনীর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও মারমুখী ভুমিকা জাতীয়তাবাদী সংগ্রাম-স্বাধিকার সংগ্রাম-স্বায়ত্বশাসনের সংগ্রামকে পাকিস্তানি ঔপনিবেশিক রাষ্ট্রকাঠামো ভেঙ্গে ও অতিক্রম করে স্বাধীনতার পথে এগিয়ে যাবার পথনির্দেশ করে দিয়েছিল। জাসদ নেতৃদ্বয়, মনু মিয়াসহ ৭ জুনের মহান শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
জাসদ নেতৃদ্বয় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, তৎকালীন আন্তর্জাতিক-আঞ্চলিক ও পাকিস্তানের আভ্যন্তরীণ  রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে ঐতিহাসিক ৬ দফা প্রণয়ন ও ঘোষণার মধ্য দিয়ে বঙ্গবন্ধু অতি  উচ্চ মেধা ও সুক্ষ্ম রাজনৈতিক কৌশলের প্রয়োগ করেছিলেন। পাকিস্তানিদের পক্ষে যুক্তি দিয়ে ৬ দফা প্রত্যাখ্যান করা কিংবা মেনে নিয়ে হজম করা সম্ভব ছিল না। বরং ৬ দফা পশ্চিম পাকিস্তানের অভ্যন্তরেই জাতিগত নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামকেও শক্তি যুগিয়েছে। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনের মধ্য দিয়ে যে আধুনিক বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটেছিল, ৬ দফার মধ্য দিয়ে সেই ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ রাষ্ট্রীয় রাজনৈতিক রূপ লাভ করেছিল। জাসদ নেতৃদ্বয় বলেন, ৬ দফা ঘোষণার বঙ্গবন্ধুসহ নেতৃবৃন্দকে কারাবন্দী করা হয়, বাইরে থাকা অন্যান্য নেতাদের দোদুল্যমানতা, অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও নেতাদের বিরোধিতা ও রাজনৈতিক নেতৃত্বের চরম শূন্যতার মধ্যে স্বাধীনতার নিউক্লিয়াস হিসাবে পরিচিত সিরাজুল আলম খান, আবদুর রাজ্জাক, কাজী আরেফ আহমেদের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের স্বাধীনতাপন্থী ধারার নেতাকর্মীদের সুদূরপ্রসারী চিন্তা, দুঃসাহসিক ভুমিয়া ও অক্লান্ত পরিশ্রমেই ৬ দফার পক্ষে শ্রমিক শ্রেণী, বস্তিবাসীসহ সাধারন মানুষকে ৬ দফার পক্ষে টেনে আনা ও ৭ জুনের হরতালে রাজপথে মারমুখী সংগ্রামে অবতীর্ণ করা সম্ভব হয়েছিল। তারা ঐতিহাসিক ৭ জুনে স্বাধীনতার নিউক্লিয়াসের তিন কান্ডারি সিরাজুল আলম খান, আব্দুর রাজ্জাক, কাজী আরেফ আহমেদসহ তৎকালীন ছাত্রলীগের বিপ্লবী ধারার নেতা-কর্মীদের প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানান।
বার্তা প্রেরক 


সাজ্জাদ হোসেন
দফতর সম্পাদক